মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

□ খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প

খুরুশকুলআশ্রয়ণ প্রকল্পঃ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগের অন্যতম একটি অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্প খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প। কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিমান বন্দরটি সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সে লক্ষ্যে বিমান বন্দরের আশে পাশের এলাকায় সরকারি খাস জমিতে বসবাসরত বাসিন্দাদের স্থানান্তরের প্রয়োজন হয়। উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪৪০৯টি পরিবার উক্ত স্থানে বসবাস করছিলেন।

ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪০৯টি পরিবার যাতে উদ্বাস্তু না হয় সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। উক্ত প্রকল্পে সরকারের বেশ কয়েকটি বিভাগ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে মাটি ভরাটের কাজ শেষ হয়েছে।

 

 

 

এক নজরে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প

  • মোট জমির পরিমাণ : ২৫৩.৩৫০ একর।
  •  মাটি ভরাটের জন্য অনুমোদিত জমির পরিমাণ : ৪৪.৮৮ একর।
  •  আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকেৌশলী ও উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক যৌথভাবে চূড়ান্ত

    পরিমাপের পর মোট অনুমোদিত খাদ্যশস্যের পরিমাণ : ৬৭২৮.৯৮০ মে.টন।

  •  ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে ৬৭২৮.৯৮০ মে.টন

     খাদ্যশস্য দ্বারা ৪৪.৮৮ একর ভূমির উন্নয়ন কাজ ১০০% সম্পন্ন হয়েছে।

  • অবশিষ্ট ২০৮.৪৭ একর জমি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নৌবাহিনীর মাধ্যমে বেড়ি বাঁধ নির্মাণ ও মাটি ভরাটের জন্য প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে এবং কাজ

      চলমান রয়েছে।

  • কক্সবাজার বিমান বন্দর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে

    পুনর্বাসনের জন্য উপকারভোগীর সংখ্যা : ৪৪০৯টি ভূমিহীন পরিবার।

  • মোট ভবনের সংখ্যা : ৫ তলা বিশিষ্ট ১৩৭টি।
  • শেখ হাসিনা টাওয়ার নামে ১০ তলা বিশিষ্ট একটি সুউচ্চ ভবন নির্মাণ করা হবে।

      সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ কর্তৃক উক্ত ভবনসমূহ নির্মাণ করা হবে।

 

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পটিকে মূল শহরের সাথে সংযোগের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এর মাধ্যমে ব্রিজ ও সংযোগ সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

 

 

 

ক্রম

বিবরণ

প্রাক্কলিত টাকার পরিমাণ

কাজের অগ্রগতি

খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় জেটিঘাট হতে প্রকল্প অফিস পর্যন্ত এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ

৯,৯৫,৭২৯/-

২০%

কক্সবাজার সদর উপজেলাধীন বাঁকখালী নদীর উপর কস্তুরী ঘাটে ৫৯৫.০০ মিটার দীর্ঘ পিসি বক্স গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ

২০০.০০ কোটি টাকা

কাজ আরম্ভের সম্ভাব্য তারিখ ১৫.০৭.২০১৭ খ্রি. এবং শেষ করার সম্ভাব্য তারিখ ১৫.০১.২০১৯ খ্রি.।

কৃষ্টের দোকান হতে সালেহ আহমেদ কোম্পানী পর্যন্ত এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ।

১,৩৩,৫৮,৭৭৫.০০ টাকা

৮০%

খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন সংযোগ সড়ক নির্মাণ

৮০.৩৬০ মে.টন

১০০%

 

 

 

 

 

 

 

 

প্রকল্পটিকে নদী ভাঙ্গন হতে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বেড়ি বাঁধ নির্মাণ ও অবশিষ্ট ২০৮.৪৭ একর জমিতে মাটি ভরাটের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও নৌবাহিনীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা বাঁধ ও খাল খননের জন্য বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের বিবরণ নিম্নরূপ:

 

ক্রম

বিবরণ

প্রকল্পের দৈর্ঘ্য/ আয়তন

প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়

কাজের অগ্রগতি

কক্সবাজার বিমান বন্দর উন্নয়নের জন্য সদর উপজেলার বাঁকখালী নদীর ডান দিকে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ

৩.৮৯৪ কি.মি

২১০০০.০০ লক্ষ টাকা

ডিপিএম পদ্ধতিতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড  লি. কে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। কাজের ভৌত অগ্রগতি ২০%।

খাল খনন

৩.৩০০ কি.মি

জমির মাটি ভরাট

২১২.০০০ একর

প্রাক্কলিত মাটির কাজ

৩৫,৬২,১০৭.০০ ঘনমিটার

সম্পাদিত মাটির কাজ

৮,৩২,৬৫৬.০০ ঘনমিটার

ইতোমধ্যে তৈরিকৃত সিসি ব্লকের সংখ্যা

২৪,১৬৩টি (অবশিষ্ট ৩,৪২,৩১৯টি)

 

 

 

 

 

 

 

 

নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এর মাধ্যমে ৯৭২.০০ লক্ষ টাকার বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কাজের বিবরণ

 

ক্রম

বিবরণ

প্রাক্কলিত টাকার পরিমাণ

কাজের অগ্রগতি

খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পে পাম্প হাউস ও পানি সরবরাহ লাইন স্থাপন।

৯৭২.০০ লক্ষ টাকা

 

 

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুনর্বাসিতব্য জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ

খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত ৪৪০৯টি পরিবারের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে

স্কুল প্রতিষ্ঠা, স্বাস্থ্য সেবার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, বিনোদনের জন্য পার্ক নির্মাণসহ

ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। উক্ত পরিবারসমূহের মধ্যে অধিকাংশই মৎস্যজীবি বিধায়

জীবিকার সংস্থানের জন্য আধুনিক শুটকি পল্লী নির্মাণ করা হবে। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক

নগরায়ণ পরিকল্পনায় নির্মিত উক্ত শুটকি পল্লীটি কক্সবাজার জেলার আকর্ষণীয় পর্যটন এলকায়

পরিণত হবে।

 

ছবি


সংযুক্তি