মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ

বর্তমান সরকারের বিগত ০২ বৎসরে কক্সবাজার জেলায় বাসত্মবায়িতব্য/ চলমান গুরম্নত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের তথ্যাবলীঃ

 

১।       কোল পাওয়ার জেনারেশন কোং বাংলাদেশ লি: এর ১২০০ মে:ও: কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প:

জাইকা কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা মৌজায় বাংলাদেশবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ১২০০ মেঃ ওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ১৪১৪.৬৫ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং প্রত্যাশীসংস্থাকে জমির দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। এ প্রকল্পটি জাইকা ও বাংলাদেশসরকারের অর্থায়নে প্রায় ৩৯,০০০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হচ্ছে।প্রকল্পের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

 

২।       বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর এল.এন.জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প :

বাংলাদেশবিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, কর্তৃক এল এন জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য মহেশখালী উপজেলার ০৬ মৌজায় (হোয়ানক, হেতালিয়া, কালারমারছড়া, হরিয়ারছড়া, পানিরছড়া, অমাবশ্যাখালী) এল এ মামলা ০৪/১৩-১৪ মুলে৫৬৪৬.৯৫ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য ভুমি মন্ত্রণালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন পাওয়াগিয়েছে । বর্তমানে জমি ও অবকাঠামোর মূল্য নিরূপনের (Assesment) কার্যক্রম চলছে।প্রত্যাশি সংস্থা দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রাক্কলিত টাকা জমা দানকরবে মর্মে জানিয়েছে।

 

৩।         মাতারবাড়ীতে ৭০০ মেঃ ওঃ আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্পঃ

আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড জেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লি: কর্তৃকমহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ী মৌজায় ১২০০.০০ একর জমিতে ৭০০ মেঃ ওঃ আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণের জন্য উক্তপরিমান জমি অধিগ্রহণের  জন্য  ভুমি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়াগিয়েছে এবং প্রত্যাশি সংস্থা কর্তৃক প্রাক্কলিত টাকা জমা প্রদান করা হয়েছে ।ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকদের নিকট  ক্ষতিপূরনের টাকা প্রদান করা হচ্ছে। 

 

৪।         ইজিসিবি লি: কর্তৃক ১২০০.০০ মে: ওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প :

ইলেক্ট্রিকজেনারেশন কোম্পানী বাংলাদেশ লি: কর্তৃক ১২০০.০০ মে. ওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিকতাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য পেকুয়া উপজেলায় উজানটিয়া’র করিয়ারদিয়ামৌজায় ১৫৬০.০০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন পাওয়া গেছে এবংপ্রকল্পের অধিগ্রহন কার্যক্রম চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

 

৫।         সেনাবাহিনীর মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ প্রকল্পঃ

বাংলাদেশসেনাবাহিনী কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কনির্মাণ প্রকল্প-২ এর অনুকুলে ২য় পর্যায়ে অধিগ্রহণকৃত ইনানী-শিলখালীপর্যন্ত ২৪.০০ কি:মি: সড়কের ১৬৯.৭৩ একর জমির ২৬৪ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্থদেরঅনুকুলে পরিশোধ করা হয়েছে। উক্ত জমি প্রত্যাশীসংস্থা১৭ ইসিবি-কে হস্তান্তর করা হয়েছে । ৩য় পর্যায়ে শিলখালী-টেকনাফ পর্যন্ত আরও৩৫:০০ কি:মি: সড়ক নির্মান প্রকল্পের ২১৫.০৬১ একর জমি অধিগ্রহণের জন্যভূমিমন্ত্রনালয় হতে চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া গেছে এবং প্রাক্কলিত টাকার জন্যপ্রত্যাশী সংস্থার নিকট চাহিদাপ্ত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

 

৬।         চকরিয়া উপজেলায় বদরখালী সড়কের বাটাখালী ব্রীজের ২য় কি: মি: এপ্রোচে সড়ক নির্মাণঃ

বাংলাদেশসড়ক বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য চকরিয়া উপজেলায় বদরখালীস্থ বাটাখালীব্রীজের ২য় কি: মি: এপ্রোচ সড়ক নির্মাণের জন্য ০.১৬২২ একর ভূমি অধিগ্রহণকরা হয়েছে ।  বর্তমানে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে ।

 

৭।         খুরুসকুল-চৌফলদন্ডী-ঈদগাঁও সড়কের চৌফলদন্ডী ব্রীজ এপ্রোচ সড়ক নির্মাণঃ

বাংলাদেশসড়ক  বিভাগের অধীনে সদর উপজেলাধীন খুরুসকুল-চৌফলদন্ডী-ঈদগাঁও সড়কেরচৌফলদন্ডী ব্রীজ এপ্রোচে ৯.০০ কিঃমিঃ সড়কের ১.৬০৬৪ একর ভূমির অধিগ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের উন্নয়ন কার্যক্রমও সম্পন্ন হয়েছে।

 

৮।         মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন প্রকল্পঃ

জিটিসিএলকর্তৃক বাস্তবায়িতব্য ৪৫ কিঃমিঃ দীর্ঘ মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সংঞ্চালনপাইপ লাইন প্রকল্পের জন্য মহেশখালী ও পেকুয়া উপজেলার ৪৫ কিঃমিঃ দীর্ঘ  ৮৩.৪৫১০ একর ভুমি চূড়ান্ত অধিগ্রহন ও ১৪৯.৭৫ একর ভূমি হুকুমদখলের পরপ্রত্যাশি সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে এবং প্রত্যাশী সংস্থা কর্তৃকগ্যাস পাইপ লাইন স্থাপনের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

 

৯।      পেকুয়া-ঈদমনি-বদরখালী- মহেশখালীস্থ ইউনুচখালী- কোহেলিয়া নদী পাড় হয়ে-মাতারবাড়ী  সংযোগ সড়ক নির্মাণঃ

মাতারবাড়ীকয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃকবাস্তবায়িতব্য চকরিয়াস্থ একতা বাজার হয়ে পেকুয়া-ইটমনি-বদরখালী- মহেশখালীস্থইউনুচখালী- কোহেলিয়া নদী পাড় হয়ে-মাতারবাড়ী পর্যন্ত সংযোগ সড়কটি ইতোমধ্যেইএকনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে । ব্রিজ ও সংযোগ সড়কটির নকশা প্রণয়নের কাজ  সম্পন্ন হয়েছে। শীঘ্রই নির্মান কাজ শুরু করা হবে।

 

১০।        কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আত্মর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্পঃ

কক্সবাজারবিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কার্যক্রমমাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ০২ জুলাই, ২০১৫ তারিখে শুভ উদ্বোধন করা হয় এবংপ্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। বিমানবন্দরের বর্তমান রানওয়ে ৬৭৭৫ ফুট থেকেবাড়িয়ে ৯০০০ ফুট এ উন্নীত করা হবে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের উন্নয়ন কাজ ২৫ শতাংশসম্পন্ন হয়েছে । এ প্রকল্পের ব্যয় ১১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা । প্রকল্পের মোট ১১২৩ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা বরাদ্দের মধ্যে উক্ত ভূমিহীন পরিবারসমূহের বাকখালী নদীর পূর্বপার্শ্বে খুরুসকুল পুর্নবাসন প্রকল্পে যাতায়তেরজন্য এল.জি.ই.ডি কর্তৃক নির্মিতব্য সংযোগ সড়কের জন্য ২০০ কোটি টাকা ওবাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য প্রকল্পের উন্নয়নের জন্য২১০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।

 

১১।      খুরুস্কুল আশ্রয়ণ প্রকল্পঃ

কক্সবাজারবিমান বন্দরকে  আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে উন্নিতকরন প্রকল্পেরসম্প্রসারিত  রান ওয়ে নির্মানের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে আবস্থানরত ৪৪০৯ টিভুমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের  জন্য ২৫৩ একর জায়গার মধ্যে জেলা প্রশাসনকর্তৃক আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যেমে ৪৩ একর জায়গা মাটি ভরাটের উন্নয়ণ কাজসম্পন্নকরা হয়েছে । উক্ত জায়গায় আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন কর্তৃক  ৪/৫ তলাবিশিষ্ট ফ্লাট নির্মানের কাজ শিঘ্রই শুরু করা হবে।

 

১২।       ইনস্টলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) প্রকল্পঃ

ইস্টার্নরিফাইনারী লি: চট্টগ্রাম কর্তৃক বাস্তবায়িতব্য ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেলপয়েন্ট মুরিং প্রকল্পের জন্য মহেশখালীর ধলঘাটা ও কালারমারছড়া ও কালিগঞ্জমৌজার ৩২.৪০৩০একর জমি অধিগ্রহণের চুড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রত্যাশি সংস্থা প্রকল্পের কার্যক্রম চালু করবে মর্মেজানিয়েছে।

 

১৩।       নৌবাহিনীর সাব-মেরিন ঘাটি নির্মাণ প্রকল্প:

এই প্রকল্পের জন্য পেকুয়া উপজেলার মগনামা মৌজার ৩৩৩.৭৩ একর জমি অধিগ্রহণের  জন্য  ভুমি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়াগিয়েছে এবং প্রত্যাশি সংস্থা কর্তৃক প্রাক্কলিত টাকা জমা প্রদান করা হয়েছে ।ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকদের নিকট  ক্ষতিপূরনের টাকা প্রদান করা হচ্ছে। 

 

  • ১৪।    বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড এর জন্য জমি অধিগ্রহণ :

এই প্রকল্পের জন্য কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ মৌজার ৫.০০ একর জমি অধিগ্রহণের  জন্য  ভুমি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়াগিয়েছে এবং প্রত্যাশি সংস্থা কর্তৃক প্রাক্কলিত টাকা জমা প্রদান করা হয়েছে ।ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকদের নিকট  ক্ষতিপূরনের টাকা প্রদান করা হচ্ছে।

 

  • ১৫।    বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আওতায় ক্রীড়া স্কূল নির্মাণ (বিকেএসপি) :

এই প্রকল্পের জন্য রামু উপজেলার নোনাছড়ি মৌজার ২৯.৮৫ একর জমি অধিগ্রহণের  জন্য  ভুমি মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়াগিয়েছে এবং প্রত্যাশি সংস্থা কর্তৃক প্রাক্কলিত টাকা জমা প্রদান করা হয়েছে ।ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিকদের নিকট  ক্ষতিপূরনের টাকা প্রদান করা হচ্ছে। 

 

১৬।      কুতুবদিয়া উপজেলায় বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিস নির্মাণঃ

বাংলাদেশফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কুতুবদিয়া উপজেলায় ০.৩৩ একর ভূমিঅধিগ্রহণের নিমিত্ত ভূমি বরাদ্দ কমিটির সভায় অনুমোদন করা হয়েছে। পরবর্তীকার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

 

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল সমূহ:

 

 

০১।     কক্সবাজার জেলায়  টেকনাফ উপজেলার সাবরাং এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনঃ

বাংলাদেশঅর্থনৈতিক জোন অথরিটি কর্তৃক কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলাস্থ সাবরাংমৌজায় প্রায়  ১১৪৭ একর জমিতে ‘সাবরাং অর্থনৈতিক অঞ্চল’ স্থাপনের নিমিত্তভুমি মন্ত্রণালয়ের চুড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়া সম্পন্নপূর্বক বর্ণিত জমি ইতোমধ্যেই বেজা’র অনুকুলে হস্তান্তর করা হয়। উক্ত জমিরমধ্যে ৮৮২.২৬ একর খাস জমি, পানি উন্নয়ন বোর্ড হতে ২০০ একর রিজিউম করা হয়এবং  ৬৫ একর জমি অধিগ্রহন করা হয়। এলজিইডি, সওজ ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকর্তৃক প্রকল্পটির প্রযোজ্য উন্নয়ন কার্যক্রমের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এপ্রকল্পটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক গত ২৮ ফেব্রম্নয়ারি, ২০১৬ তারিখেউদ্বোধন করা হয়েছে।