মেনু নির্বাচন করুন

ছবিতে চাঁদপুর জেলা ব্র্যান্ডিং


বিস্তারিত


কক্সবাজার জেলা-ব্র্যান্ডিং কর্ম-পরিকল্পনা

Longest Unbroken Sea beach- Cox’s Bazar

১. ভূমিকা    

উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে বাংলাদেশেরও সময় এসেছে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বৈচিত্র্যে ভরা ঐতিহ্য,কৃষ্টি,সংস্কৃতি,উল্লেখযোগ্য সেবা, উদ্যোগ ও পণ্যগুলোকে জেলা-ভিত্তিক ব্র্যান্ডিং করে দেশে-বিদেশে তুলে ধরার। একটি জেলার সর্বস্তরের মানুষের আশা-আকাঙক্ষা, ঐতিহ্য, গৌরবকে দেশে-বিদেশে ভাস্বর করে তোলার লক্ষ্যে সকলের একাত্ম হয়ে কাজ করার জন্য জেলা-ব্র্যান্ডিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এ উদ্দেশে্য কক্সবাজার জেলার জেলা-ব্র্যান্ডিং পর্যটণ শিল্পের বিকাশ ও সমৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করার প্রয়াস ও কর্ম-পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

২. কক্সবাজার জেলার পর্যটন আকর্ষণসমূহ

কক্সবাজার  জেলার পর্যটন আকর্ষণসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে দেওয়া হলো:

 

 

 

 

 

 

 

 

কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী । একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল। প্যানোয়া শব্দটির অর্থ ‘হলুদ ফুল’।অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো এই হলুদ ফুলে ঝকমক করত। এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 

ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন । কক্স সাহেবের বাজার হতে  কক্সবাজার নামের উৎপত্তি ।

 

 

 

. কক্সবাজারের ইতিহাস

 

 

 

 

 

 

 

খ.কক্সবাজারের দীর্ঘতম অখন্ডিত সমুদ্র সৈকত

 

 

 

 

 

 

 

 কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত একটি মায়াবী ও রূপময়ী সমুদ্র সৈকত। প্রতিদিন প্রতিক্ষণ এর রূপ পরিবর্তন করে। শীত-বর্ষা-বসন্ত-গ্রীস্ম এমন কোন সীজন নেই সমুদ্র সৈকতের চেহারা মিল খুঁজে পাওয়া যায়। প্রত্যুষে এক রকম তো মধ্যাহ্নে এর রূপ অন্য রকম। গোধুলি বেলার বীচের হাওয়া-অবস্থা আর রাতের বেলার আবহাওয়া-অবস্থার মধ্যে বিস্তর ফারাক। তাই তো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য ক্যাপ্টেন কক্স এর সমুদ্র সৈকত এত কদরের, এত পছন্দের।

 

 

 

 

 

 

 

 

জোয়ার ও ভাটার সময় প্রদর্শনের জন্য জেলা প্রশাসন ও জেলা পরিষদের উদ্যোগে রয়েছে স্থায়ী-অস্থায়ী বিলবোর্ড ও ব্যানার। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক ঘূর্ণিঝড় ও জোয়ার-ভাটার জনসচেতনতা ও  শিক্ষামূলক  বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য সমুদ্র সৈকতে কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টে এলসিডি টিভি মনিটর স্থাপনের জন্য কয়েকটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। ইয়াসীর লাইফ গার্ড ও ওয়াচ বে লাইফ গার্ড এর সাহসী কর্মীরা অনেক পর্যটকের জীবন রক্ষা করেছে। জীবন রক্ষাকারী এ ধরনের জনমানব সেবামূলক আরো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যেতে পারে। কক্সবাজার রূপালী সমুদ্র সৈকতে বীচ বাইক, জেট স্কী, ঘোড়ার গাড়ি বা ঘোড়া পর্যটকদের  জন্য আনন্দের খোরাক যোগায়।

 

 

কক্সবাজার জেলার পর্যটন সেক্টরে ইমাজিং টাইগার হচ্ছে ইনানী। বিশ্বের দীর্ঘতম বালকাময় সৈকত কক্সবাজার যার দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার। কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত দীর্ঘ একশো বিশ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর,আকর্ষণীয় ও নয়নাভিরাম হচ্ছে ইনানী বীচ।

 

 

 

 

 

গ. ইনানী সি বীচ

 

 

এককথায় ইনানীকে প্রকৃতির ভূস্বর্গ বলা চলে। ইনানী সৈকত থেকে শুরু করে টেকনাফ পর্যন্ত এর প্রাকৃতিক প্রবাল এবং পাথর সমুদ্রের ভাঙ্গন থেকে সৈকতকে রক্ষা করছে।  আবার, এসব পাথর ইনানী সৈকতকে দিয়েছে বাড়তি সৌন্দর্য।

 

 

 

আদিনাথ মন্দির- ইহা মহেশখালী জেটিঘাটের উত্তর পাশে অবস্থিত। বাঁকখালী নদী- ইহার উপরদিয়ে কক্সবাজার সদর হতে স্প্রীড বোড যোগে আসা হয়।

 

 

 

 

 

ঘ. আদিনাথ মন্দির

 

 

 

 

 

খুরুশ্কুলের রাখাইন সম্প্রদায় ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে তাদের ধর্মীয় ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালন করে থাকে। রাখাইনদের সামাজিক জীবন বৌদ্ধ ধর্মের ভিত্তির উপরেই প্রতিষ্ঠিত। সে মতে তারা বৌদ্ধ ধর্মের সব ক’টা অনুষ্ঠান পালন করেন।

 

ঙ. রাখাইন পাড়া

 

 

 

‘কাছং ইয়াংরী ছিয়াম’ নামক অনুষ্ঠানটি হয় বৈশাখ মাসের পূর্ণ চন্দ্র দিবসে। বৌদ্ধদের নিকট এই দিনটি অত্যন্ত পবিত্র। এর পর রয়েছে আষাঢ়ী পূর্ণিমা ও আশ্বিণী পূর্ণিমা। কার্যতঃ চৈত্র সংক্রান্তি চৈত্রের শেষ দিবস এবং বৈশাখের প্রথম দিবস রাখাইনদের খুবই আনন্দের দিন। তাদের ‘ওয়াগেপোয়ে’ নামে আরেকটি পূঁজা হয়ে থাকে প্রতি বৎসর নভেম্বর মাসে। তবে রাখাইনদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান সাংগ্রেং বা পানি খেলা।

 

 জেলা সদর হতে ৯ কিঃমিঃ দূরে হিমছড়ি অবস্থিত। পাহাড়, সমুদ্র ও ঝর্ণা সমন্বিত হিমছড়ি অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এক পর্যটন স্পট। পর্যটন মৌসুমে এখানে পর্যটকদের আনাগোণা বেশি পরীলক্ষিত হয়। এখানে কয়েকটি প্রাকৃতিক ঝর্ণা (প্রসবণ) রয়েছে। কক্সবাজার জেলায় পিকনিক করতে আসলে হিমছড়ি ঝর্ণা পর্যটকদের একবার দেখা চায়। 

 

চ. হিমছড়ি

 

 

 

২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে হিমছড়িসহ আশে পাশে অনেক পর্যটন স্পট দারুণভাবে ক্ষতিসাধন হয়। বর্তমানে হিমছড়ি এলাকাটি অনেক সংস্কার করা হয়েছে। সিঁড়ি বেয়ে উঁচু পাহাড়ে উঠে সাগর, পাহাড় ও কক্সবাজারের নৈসর্গিক সৌর্ন্দয অতিসহজে উপভোগ করা যায়। হিমছড়ি যাওয়ার পথিমধ্যে দরিয়ানগরসহ (ভাংগামোড়া) অনেক পিকনিক স্পট আছে। ছোট ছোট সুরেলা ঝর্ণার পানি প্রবাহ অবলোকন করতে চাইলে পর্যটকদের ভরা পর্যটন মৌসুম ব্যতীত বর্ষা মৌসুমে আসতে হবে। 

ছ. রামকোট বৌদ্ধ বিহার

 

 

 

 

 

 

 ইতিহাসবিদদের রচিত বিভিন্ন গ্রন্থে রামু-কে ‘‘প্যাং-ওয়া/প্যানোয়া’’ অর্থাৎ হলদে ফুলের দেশ হিসেবে বর্ণনা রয়েছে। রামু এলাকাটি একদা আরাকানে একটি প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছিল। রামুর অধিপতিকে রাখাইন রাজারা প্যাঙ-ওয়া-জা: বলে আখ্যায়িত করতেন। 

 

 

 

 

 

তৃতীয় ধন্যাবতী যুগের প্রথম রাখাইনরাজ চেন্দা থুরিয়া (খ্রিস্টপূর্ব ৫৮০-৫২৮) শাসনামলে তাঁর আমন্ত্রণে সেবক আনন্দকে নিয়ে তথাগত গৌতম বু্দ্ধ আরাকানে এসেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। গৌতম বুদ্ধের সাথে আরো পাঁচশত  শিষ্য ছিলেন বলেও জনশ্রুতি আছে।  তথায় এক ধর্ম সম্মেলনেসেবক আনন্দকে উদ্দেশ্য করে গৌতম বু্দ্ধ বলেন, ‘‘হে আনন্দ! ভবিষ্যতে পশ্চিম সমুদ্রের পূর্ব উপকূলে পাহাড়ের উপর আমার বক্ষাস্থি স্থাপিত হবে। তখন এর নাম হবে ‘রাং-উ’।’’ ‘রাং-উ’ রাখাইন শব্দ এর শাব্দিক অর্থ বক্ষাস্থি। ‘রাং’ অর্থ বক্ষ, ‘উ’ অর্থ বক্ষাস্থি। ভাষাতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় ধ্বনিতাত্ত্বিক এবং অর্থগত দিক থেকে রামু শব্দের সংগে রাং-উ শব্দের মিল রয়েছে। মৌর্য বংশের তৃতীয় সম্রাট অশোক (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩-২৩২) কর্তৃক স্থাপিত ৮৪ হাজার ধাতু চৈত্যের মধ্যে রামুর এ চৈত্যটি অন্যতম। খ্রিস্টপূর্ব ৩০৮ অব্দে নির্মিত ঐতিহাসিক রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহার রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের পাহাড় চূঁড়ায় মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। সময়ের বিবর্তনে রামকোটের অস্তিত্ব বিলীন হলে  ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে শ্রীলংকা থেকে আগত পুরোহিত জগৎ জ্যোতি মহাস্থবির রামকোট বৌদ্ধ বিহারটি সংস্কার পূর্বক পুনঃ প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে একটি বনাশ্রম রয়েছে যেখানে প্রাচীন বৌদ্ধ স্থাপনা ও পুরাকীর্তি রয়েছে। প্রতি বছর  প্রচুর তীর্থযাত্রী-পূজারী ও পর্যটকরা এখানে ভীড় করেন। আশ্রমের পাদদেশে ব্রাজিল, ফ্রান্স, ইটালীসহ অনেক দেশের আর্শীবাদপুষ্ট ‘‘জগৎ জ্যোতি শিশু সদন’’ নামে একটি বৌদ্ধ অনাথ আশ্রমালয় রয়েছে। এ আশ্রম নির্মাণকালে রামুর রাখাইন সম্প্রদায়ের শশ্মানে স্থিত এতদঞ্চলে দানবীর প্রয়াত পোওয়েজা: সেজারী (খিজারী দালাল) এর বংশধরদের সমাধিস্তম্ভ ধ্বংস করা হয় বলে রামুর রাখাইনসহ সচেতন রামুবাসীদের আক্ষেপ রয়ে গেছে। আশ্রমে অনেক অনাথ ছেলেমেয়ে রয়েছে তারা বিনা পয়সা এখানে পড়ালেখা করে যাচ্ছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রামকোটে বসে ‘‘রাজর্ষি’’ উপন্যাসটি রচনা করেন। কবিগুরুই হলদে ফুলের দেশ রামুকে রম্যভূমি হিসেবে সর্বপ্রথম আখ্যায়িত করেন। অবশ্য এককালে বৌদ্ধ সংস্কৃতির পাদপীঠ হিসেবে রম্যভূমি’র নামে বর্তমান রামু প্রসিদ্ধ ছিল।

 

 টেকনাফ উপজেলা হতে ৩৮ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন প্রবালদ্বীপ। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন ১৯৮৩ সালে ইউনিয়ন হিসেবে উন্নীত হয়। আট কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট সেন্টমার্টিনের দৈর্ঘ্য প্রায় চার কিলোমিটার আর প্রস্থ দুই কিলোমিটার। পূর্বে এর নাম ছিল নারিকেল জিনজিরা। 

জ. প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন

 

 

 

 

 

 

 

৭ম-৮ম শতাব্দীতে সুদূর মধ্যপ্রাচ্য থেকে আরব বণিকরা জাহাজযোগে আকিয়াব ও রেঙ্গুন যাতায়াতের সময় এ দ্বীপে সাময়িক বিশ্রাম নিতেন। আরবি শব্দ জাজিরা অর্থ দ্বীপ। এ দ্বীপে প্রচুর নারিকেল গাছ রয়েছে। জোস্নার রাতে সেন্টমার্টিন দ্বীপে অবস্থান করার মজাই আলাদা। সমুদ্রের কুল ঘেঁষে নির্মিত কটেজ সমূহের জানালার স্বচ্ছ কাঁচ থেকে সাগরের তালমাতাল ঢেউ সহজে অবলোকন করা যায়। পটুয়াখালী জেলার কুয়াকাটা সী-বীচের ন্যায় সেন্টমার্টিন বীচ থেকেও সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়।

 

 

 সেন্টমার্টিন থেকে কয়েক কিলো দূরে এ দ্বীপের অবস্থান। এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত একটি ভূখন্ড। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন হতে ছেঁড়াদ্বীপটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ঝ. ছেঁড়াদ্বীপ, সেন্টমার্টিন, টেকনাফ

 

 

 

দ্বীপকে স্থানীয়রা দিয়া দ্বীপ অর্থাৎ ছেঁড়াদিয়া দ্বীপ বলে সম্বোধন করে থাকেন। এ দ্বীপে মানুষ বসবাস করেন না। তবে জেলেরা দিনের বেলা মৎস্য আহরণ করে রাতে নিজ নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করেন। ছেঁড়াদিয়ার স্বচ্ছ জলের অনেক গভীরে অবস্থানরত নানা প্রজাতি ও ভিন্ন আকৃতির প্রবাল ও সামুদ্রিক শৈবাল অতিসহজে স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করে শরীর আনমনে পুলকিত হবে ও মন আনন্দে অজান্তে ঢোলা দেবে।

 

 

 

 চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা নামক স্থানে মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রচুর গাছ গাছালিতে ভরপুর দৃষ্টিনন্দন একটি বড় পার্ক রয়েছে। আটটি ব্লকে ভাগ করে গড়ে তোলা এ পার্কে মুক্ত পরিবেশে হাঁটাচলা করা যায়, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনায়াসে বেড়ানো যায়।

ঞ. ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক

 

 

 

 

এ পার্কে ঢাকায় মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানার মতো বেশি সংখ্যক পশু পাখি না থাকলেও কোন পশু পাখি কমতি নেই। আছে সিংহ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, নানা প্রজাতির হরিণ, হনুমান, বাঁশ ভল্লুক, ময়ুর, বন্য শুকর, নানা প্রজাতির পাখি, সাপ, কুমির, জলহস্তি, বানর, হরিণ, হাতি, বনগরু ইত্যাদি। এখানে স্থাপিত একাধিক পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের মাধ্যমে নয়নাভিরাম সৌর্ন্দয ও পশু পাখিদের বিচরণ নিরাপদে পর্যবেক্ষণ করা যায়। নানা প্রজাতির বড় বড় বৃক্ষ, মূল্যবান গাছ গাছালি আর দুর্লভ ও ঔষধী লতা পাতা গুল্ম রয়েছে এ পার্কে। চকরিয়া বাসষ্টেশন থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১০ কিলোমিটার আর জেলা শহর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। প্রায় নয়শ হেক্টর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র সাফারি পার্কটি নাম বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু’র নামে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক’ রাখা হয়েছে। কিছু পশুপাখি খাঁচায় বন্দি হলেও এ পার্কে অবস্থারত অধিকাংশ পশুপাখিদের বিচরনের জন্য প্রচুর উন্মুক্ত জায়গা রয়েছে। পর্যটকদের জন্য রয়েছে বিশ্রামাগার ও ডরমেটরী। অকস্মাৎ বন্যহাতির পাল পার্কে অযাচিত ও অবৈধ প্রবেশ করে সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে অবশ্য টেনশনে রাখে। পার্কে অবস্থানরত পশু পাখিদের এহেন অসুবিধার দিক বিবেচনায় সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষকে আরো সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত বলে প্রাণি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। হরিণ প্রজনন কেন্দ্রটি পার্কের সাথে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এখানে রয়েছে ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম ও বাংলাদেশের সর্বপ্রথম প্রকৃতি বীক্ষণ কেন্দ্র। সাফারি পার্কের প্রবেশ মুখে রয়েছে ইট কংক্রিট দিয়ে নির্মিত বিশালাকৃতি ডাইনোসর, হাতি প্রতিকৃতি। মূল ফটকের বামে রয়েছে ত্রিশ লক্ষের বিনিময়ে অর্জিত সুজলা-সুফলা সবুজ শস্য-শ্যামলায় প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের মানচিত্র (ডিসপ্লে ম্যাপ) ও পার্কের বিভিন্ন স্থানের বর্ণনা। সাফারি পার্ক দিনে দিনে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে আর পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের একটি অংশ পার্কের বিভিন্ন লোকেশনে পিকনিক আয়োজন করে থাকে।

 

৩. জেলা-ব্র্যান্ডিংয়েরউদ্দেশ্য

কক্সবাজার জেলার জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যসমূহ নিম্নরূপ:

  • জেলার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতিসঞ্চার;

  • জেলার ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিনির্মাণ;

  • জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ;

  • জেলার অর্থনৈতিক, সামাজিক, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি;

  • স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি;

  • জেলার সর্বস্তরের মানুষকে উন্নয়নের অভিযাত্রায় সম্পৃক্ত করা;

  • < > ও বেকারত্ব দূরীকরণ;

    পর্যটন শিল্পের বিকাশ;

  • < > দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

    পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটবে;

  • স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি হবে;

  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে;

  • কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে;

  • জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার হবে।

 

 

 

 

ট্যাগলাইনঃ Longest Unbroken Seabeach- Cox’s Bazar

লোগোঃ এখন ও নির্ধারিত হয় নি।

 

 

৬. লোগো ও ট্যাগলাইন

 

 

. কক্সবাজার জেলার পর্যটন শিল্পের বর্তমান অবস্থা

এ জেলায় ৪টি সরকারী হোটেল-মোটেল ৪৭৫টি বেসরকারী হোটেল। মোটেল ও গেস্ট হাউস পাঁচ তারকা মানের ৭টি হোটেল রয়েছে। বিশেষ দিন যেমন বীচ কার্ণিভাল, ৩১ ডিসেম্বর, ঈদ, পহেলা বৈশাখ ইত্যাদি দিনের সর্বোচ্চ আয় প্রায় ০.৩৫ মিলিয়ন টাকা।

৮. কাঙ্ক্ষিত ফলাফল

পর্যটনকে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নিন্মোক্ত ফলাফলসমূহ অর্জনের লক্ষ্যে সার্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে:

  • পর্যটকদের বার্ষিক আগমনের হার ১০% বৃদ্ধি করা;

  • বছরে ২০ জন নতুন স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি;

  • বছরে ১০০ জনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি;

  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন-উল্লেখযোগ্য;

  • স্থানীয় পর্যটনে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৫%।

. পর্যটন শিল্পের শক্তি, দূর্বলতা, সুযোগ ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ:

সার্বিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সুবিধার্থে প্রাথমিকভাবে পর্যটনের নিম্নোক্ত শক্তি, দূর্বলতা, সুযোগ ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ করা হয়েছে:

 

 

শক্তি:

 

  • কক্সবাজারে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
  • সহজ যোগাযোগ
  • এয়ারপোর্ট
  • শুঁটকি ব্যবসা
  • শ্রমিকের সহজপ্রাপ্যতা
  • মোবাইল অ্যাপস

 

 

দুর্বলতা:

 

  • হোটেল ও খাবারের মূল্য নিয়ন্ত্রণের অভাব
  • সৈকতে  পর্যাপ্ত পার্কিং স্থানের অভাব
  • পর্যাপ্ত পিকনিক স্পটের অভাব
  • পর্যাপ্ত পর্যটন ভিলেজের অভাব

 

 

 

 

সুযোগ:

 

  • আবাসন ব্যবসার উন্নয়ন
  • ইকোপার্ক স্থাপন
  • পর্যটক গাইড ও ফটোগ্রাফি ব্যবসা
  • বিনোদনের সুব্যবস্থা
  • পিকনিক স্পটের উন্নয়ন
  • পর্যটন ভিলেজ স্থাপন

 

 

 

ঝুঁকি:

 

  • নিরাপত্তা ব্যবস্থা
  • অবৈধভাবে ভূমি দখল
  • পরিবেশ দূষণ
  • অসচেতনতা

 

 

১০.জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মুল্যবোধকে ব্র্যান্ডিংএর সাথে সম্পৃক্তকরণ

পর্যটন কক্সবাজার জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ইতিহাসের সাথে অতপ্রত ভাবে মিশে আছে। বিশেষ করে কক্সবাজারের মায়াবী ও রূপময়ী সমুদ্র সৈকত। পর্যটকরা যেন সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি অন্যান্য দর্শণীয় স্থান উপভোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

 

১১. জেলা ব্র্যান্ডিং কর্ম-পরিকল্পনা

জেলা ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়নের জন্য তিন বছর মেয়াদী নিন্মোক্ত কর্ম-পরিকল্পনা অনুসরণ করা হবে:

 

  • < >: ০১ বছর< >: ০৩ বছর< >: ০৫ বছরকর্ম-পরিকল্পনা ছক

     

     

নং

কার্যক্রম

কর্মসম্পাদনসূচক

দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি

সময়সীমা

সহায়তাকারী

সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে মতবিনিময় এবংব্র্যান্ডিংএর বিষয় নির্দিষ্টকরণ

মতিবনিময় অনুষ্ঠিত এবং বিষয় নির্ধারিত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত এবং বিষয় নির্ধারিত

জেলার সকল অংশীদার

একজন জেলা ফোকালপয়েন্ট নির্ধারণ ও বিভিন্ন কমিটি ও উপকমিটি গঠন

 

ফোকালপয়েন্ট ওবিভিন্ন কমিটি গঠিত

জেলাকমিটি

এপ্রিল-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

কাঙ্ক্ষিতফলাফলনির্ধারণ

কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নির্ধারিত

সংশ্লিষ্টকমিটি

এপ্রিল ২০১৭

 

জেলার সকল অংশীদার

ব্র্যান্ডিং লোগোওট্যাগলাইননির্ধারণ

নির্ধারিত

সংশ্লিষ্টকমিটি

এপ্রিল-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

পর্যটনের বর্তমান অবস্থাবিশ্লেষণ

 প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্টকমিটি

এপ্রিল-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

পর্যটনকে ব্র্যান্ড করার ক্ষেত্রে  শক্তি, দুর্বলতা, সুযোগ এবং ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ

এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্টকমিটি

এপ্রিল-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

জেলারইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিওমুল্যবোধকেব্র্যান্ডিংএরসাথেসম্পৃক্তকরণ

জেলা-ব্র্যান্ডিং বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত

সংশ্লিষ্টকমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

সময়াবদ্ধপরিকল্পনাপ্রণয়ন

পরিকল্পনাপ্রণীত

সংশ্লিষ্টকমিটি

মে-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

প্রচার ও প্রসার

প্রচারের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গৃহীত

সংশ্লিষ্টকমিটি

চলমান

স্থানীয়মিডিয়া, তথ্যমন্ত্রণালয়

১০

ব্র্যান্ডবুকপ্রণয়ন

ব্র্যান্ড বুক প্রণীত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

 

জুলাই, ২০১৭

জেলা কমিটি

১১

পরিকল্পনাবাস্তবায়ন

ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমকে বিভিন্ন ভাগে বিভক্তকরণ এবং সে অনুযায়ী সম্পাদন

সংশ্লিষ্ট কমিটি এবং উপকমিটি

চলমান

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১১.১

জেলাব্র্যান্ডিংমেলা আয়োজন

অনুষ্ঠিত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

সেপ্টেম্বর ২০১৭

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১১.২

ব্র্যান্ডিং সুভ্যেনির তৈরি

সম্পন্ন

সংশ্লিষ্ট কমিটি

আগস্ট ২০১৭

জেলাকমিটি

১১.৩

জেলা বাতায়নে জেলা-ব্র্যান্ডিং ওয়েবপেইজ তৈরি

ওয়েবপেইজ প্রস্তুত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জুন ২০১৭

জেলাকমিটি

১১.৪

জেলা ব্রান্ডিং কে কেন্দ্র করে প্রকল্প প্রস্তাব গ্রহণ, অনুমোদন ও বাস্তবায়ন

চলমান

সংশ্লিষ্ট কমিটি, সংশ্লিষ্ট দপ্তর

ডিসেম্বর ২০১৭

জেলার এ বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত সকল স্তরের জনগণ

১১.৫

হোটেলের ক্যাটালগ তৈরি ও হালনাগাদ

সম্পন্ন

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জুন ২০১৭

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১১.৬

হোটেলের পরিবেশ উন্নয়ন

কার্যক্রম গৃহীত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

আগস্ট ২০১৭

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১১.৭

তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যটনের বিকাশ সাধন

পর্যটন সংক্রান্ত মোবাইল অ্যাপ তৈরী

জেলা প্রশাসন

জুন ২০১৭

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ

১১.৮

পর্যটন স্থানগুলোতে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ

ব্যবস্থা গৃহীত

নিরাপত্তা উপকমিটি

চলমান

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ

১১.৯

স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ব্র্যান্ডিং বিষয়ে লেখা প্রকাশ

প্রকাশিত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জুলাই ২০১৭

জেলাকমিটি

১১.১০

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণা

আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থার মাধ্যমে প্রচারণা

সংশ্লিষ্ট কমিটি

আগস্ট ২০১৭

জেলাকমিটি

১১.১১

প্রচার সংক্রান্ত উপকরণ যথা: লিফলেট, বিলবোর্ড তৈরি

উপকরণপ্রস্তুতকৃত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জুলাই ২০১৭

জেলাকমিটি

১১.১২

জেলা-ব্র্যান্ডিং মনুমেন্ট তৈরি

মনুমেন্ট স্থাপিত

জেলাকমিটি

ডিসেম্বর ২০১৭

সংশ্লিষ্ট সবাই

১১.১৩

পর্যটন কেন্দ্রে স্বাস্থ্য-সুবিধা নিশ্চিতকরণ

ব্যবস্থা গ্রহণ

সংশ্লিষ্ট কমিটি

ডিসেম্বর ২০১৭

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১১.১৪

পর্যটন কেন্দ্রে পাবলিক টয়লেট স্থাপন

স্থাপিত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

ডিসেম্বর ২০১৭

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১১.১৫

সী-বিচে সুবিধা জনক স্থানে ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ

নির্মিত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

ডিসেম্বর ২০১৭

জেলাকমিটি

১১.১৬

জেলাব্র্যান্ডিংয়েরউদ্দেশ্যেসাংস্কৃতিকঅনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতারআয়োজন

সাংস্কৃতিকঅনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতাঅনুষ্ঠিত

সংশ্লিষ্ট কমিটি

আগস্ট ২০১৭

জেলার সকল স্তরের জনগণ

১২

বাস্তবায়ন তদারকি ও পরিবীক্ষণ

পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন

জাতীয়কমিটি, বিভাগীয়কমিটি, জেলাকমিটি

চলমান

জেলা কমিটি

১৩

অগ্রগতিমূল্যায়নওপরিকল্পনাসংশোধন

মূল্যায়ন প্রতিবেদন

জাতীয়কমিটি, বিভাগীয়কমিটি, জেলাকমিটি

প্রতিবছর

জেলা কমিটি

 

১২. প্রচার

কক্সবাজার জেলারপর্যটনকেদেশেএবংদেশেরবাইরেপরিচিতকরতেনানাবিধউপায়অবলম্বনকরাহবে।প্রচারণার উপায় নিম্নরূপ:

প্রচারের মাধ্যম

সময়সীমা

দায়িত্ব

প্রিন্টওইলেক্ট্রনিকমাধ্যমযেমন: রেডিও, টেলিভিশনওসংবাদপত্রেবিজ্ঞাপন

চলমান

সংশ্লিষ্ট কমিটি

বিভিন্নদর্শনীয়স্থানেব্যানারওবিলবোর্ডস্থাপন

জুলাই ২০১৭

সংশ্লিষ্ট কমিটি

স্থানীয়ক্যাবলনেটওয়ার্কেরমাধ্যমেব্র্যান্ডিংয়েরপ্রচার

চলমান

সংশ্লিষ্ট কমিটি

সোশ্যালমিডিয়া-যেমন: ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারেপ্রচারণারব্যবস্থাকরা

চলমান

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জেলা-ব্র্যান্ডিংউৎসব, মেলারআয়োজনকরা

জুলাই ২০১৭

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জেলারবিভিন্নঅনুষ্ঠানজেলাব্র্যান্ডেরআবহেসাজানো

চলমান

সংশ্লিষ্ট কমিটি

ব্র্যান্ডিংনিয়েবিভিন্নসাংস্কৃতিকঅনুষ্ঠানওপ্রতিযোগিতারআয়োজন

আগস্ট ২০১৭

সংশ্লিষ্ট কমিটি

জেলা-ব্র্যান্ডিংসংক্রান্তওয়েবপেইজতৈরিযা, জেলাতথ্যবাতায়নেথাকবে

জুন ২০১৭

সংশ্লিষ্ট কমিটি

বিভিন্ন



Share with :

Facebook Twitter